Updated News
tail First two officers of " Bangladesh Jail" flying to South Sudan on 25 Nov, 2017 to join UN Peace Keeping Mission, UNMISS.
tail Bangladesh Jail become the "Member" of Asian and Pacific Co-operation of Correctional Administrator's (APCCA) and also selected as "Rotating Executive Member".
tail মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এর ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ, ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন এবং পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রদর্শনী জনসাধারনের জন্য উন্মুক্তকরণসহ শ্রেষ্ঠ ডিজাইন প্রতিযোগীদের পুরষ্কার বিতরণ করেন।
tail কারা অধিদপ্তরের শুন্য পদ পূরণের নিমিত্ত বিভিন্ন প্রকার জনবলের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ও চাকুরীর আবেদন ফরম।
tail কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষির নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ০৪-১০-২০১৭ খ্রিঃ সকাল ৮.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে।
tail “IG Prison Inaugurated five day long Officers Refreshers Course at Prisons Training Institute ”
tail Prison Officers are provided two days of training regarding the use of inmates database software and its practical problems at Prison Training Institute.
tail IG Prisons adorns new rank badge to the jail warders who are promoted to Assistant jail Head warder.
Complain Here

NEWS & EVENTS

RAB-Jail Inmates Database System Inauguration

RAB-Jail Inmates Database System Inauguration

৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ খ্রিঃ তারিখ র‍্যাব-জেল ইনমেট ডেটাবেজ সিস্টেম এর উদ্বোধন হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খাঁন এবং মাননীয় কারা মহাপরিদর্শক জনাব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিজিএফআই এবং এনএসআই'র মহাপরিচালক প্রমুখ।


উক্ত ডেটাবেজ সিস্টেম স্থাপনের লক্ষ‍্যে কারা সদর দপ্তর সহ দেশের ৬৮টি কারাগারে অপটিক‍্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক ও ওয়ার্ক স্টেশন স্থাপন কার্যক্রম ইতিমধ‍্যে শুরু হয়েছে। এ নেটওয়ার্ক স্থাপনের পাশাপাশি প্রতিটি কারাগারে অত‍্যাধুনিক যন্ত্রাংশ (ল‍্যাপটপ, ডিজিটাল এস.এল.আর ক‍্যামেরা, ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক‍্যানার, আইরিস/রেটিনা স্ক‍্যানার) সংবলিত এনরোলমেন্ট ওয়ার্ক স্টেশন স্থাপন করা হবে। উক্ত সিস্টেম এবং নেটওয়ার্ক এর যথাযথ ব‍্যবস্থাপনা এবং রক্ষনাবেক্ষণ এর জন‍্য প্রতিটি কারাগারে ফোকাল পয়েন্ট নির্বাচন করা হবে।


কোন অপরাধীকে গ্রেফতারের পর তার পরিচয় শনাক্ত ও অতীত অপরাধ রেকর্ড (পিসিআর) জানতেই অনেকটা সময় চলে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধীরা নিজেদের আড়াল করতে মিথ্যা তথ্যও দিয়ে থাকে। মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে বিলম্বের এটি অন্যতম একটি বড় কারণ। আবার দন্ডপ্রাপ্ত অপরাধীরা জেল থেকে ছাড়া পেয়ে পুনরায় অপরাধ সংঘটিত করে থাকে। বেশির ভাগ সময়ে তারা স্থান পরিবর্তন করায় তাদেরকে চিহ্নিত করা দুস্কর হয়ে পড়ে। র‍্যাব ও জেল কর্তৃপক্ষের উদ‍্যোগে এ ডাটাবেজ বাস্তবায়ন সম্ভবপর হয়েছে। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ফরম্যাটে প্রস্তুত এই তথ্যভান্ডার থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে মুর্হুতে একজন অপরাধীর বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে এই তথ্যভান্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ প্রযুক্তির ফলে একই ব্যক্তির বারবার অপরাধ ঘটানোর প্রবণতাও কমে আসবে। কারণ সে জানবে অপরাধ করে তার পক্ষে পালিয়ে থাকা সম্ভব হবে না। এছাড়া অপরাধীর পক্ষে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তদন্ত কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করাও সম্ভব হবে না। মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে এই তথ্যভান্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ তথ্যভান্ডারে প্রত্যেক অপরাধী সম্পর্কে ২০০ ধরনের তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধীর আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের চিত্র নেয়া হয়। এর বাইরে ছবি, অতীত অপরাধ সংঘটনের সংখ্যা, অপরাধের ধরন, দন্ড সংক্রান্ত তথ্যও সন্নিবেশ করা হয়েছে। এসব তথ্যের সঙ্গে অপরাধীর নাম, ঠিকানা, পেশা ইত্যাদি ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য রাখা হয়েছে।


ডাটা এন্ট্রির কার্যক্রমে প্রথমে অপরাধীর ছবি নেয়া হয়। এরপর ২০০ ফিল্ডে ডাটা এন্ট্রি করা হয়। অপরাধীর ১০ আংগুলের ফিংগার প্রিন্ট (AFIS-Auto Biometric Fingerprint Identification System) ও ২ চোখের মনি স্ক্যান (IRIS) নেয়া হয়। এই ডাটাবেজে নিম্নবর্ণিত তথ্য সংরক্ষণ করা হয়ঃ


ক। প্রতিদিন প্রতিটি জেলে যে সংখ্যক অপরাধী প্রবেশ করে/জামিনে মুক্ত হয়/জেল ট্রান্সফার হয়/জেল হতে কোর্ট ভিজিটে/সিভিল হাসপাতালে যায়, তা ডাটাবেজে সংগৃহীত হয়।


খ। যে কোন অপরাধীর জেলে এনরোলমেন্টের সময় ফিংগার প্রিন্ট ম্যাচিং এর মাধ্যমে অন্যান্য জেলে অথবা একই জেলে কতবার সে আটক হয়েছে তার বিস্তারিত জানা যায়।


গ। অপরাধের ধরণ অনুযায়ী এই ডাটাবেজ হতে সার্চ করে প্রতি জেলে অথবা সকল জেলের অপরাধীর সংখ্যা সহজে নিরূপণ করা যায়।


ঘ। অপরাধীর জেল ট্রান্সফার, জামিন, হাসপাতাল ভিজিট, বিশেষ কোন তথ্য জেল থেকে মোবাইলে মেসেজ আকারে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানো যায়।


ঙ। ডাটাবেজে বিভিন্ন লেভেলের ইউজার রয়েছে। এক্ষেত্রে এক জেল প্রয়োজনে অন্য জেলের অপরাধীদের বিশেষ বিশেষ তথ্য পাবে। কিন্তু আই জি প্রিজন অফিস এবং সেন্ট্রাল ডাটাবেজ থেকে সকল জেলের সকল তথ্য প্রয়োজনে দেখতে পাবে।


চ। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে আইজি প্রিজনস অফিস ও সেন্ট্রাল ডাটাবেজ হতে কোন অপরাধীর পরিচয় দিয়ে সার্চ দিলে, সে কোন জেলে আছে তা সহজে নিরূপণ সম্ভব।


ছ। অপরাধীর জেল ট্রান্সফারের সময় ত্যাগকৃত ও আগমনকৃত দুই জেলেই অপরাধীর তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হবে।


জ। এই ডাটাবেজের মাধ্যমে বাংলাদেশে এই প্রথম সকল জেল ডিজিটালভাবে যুক্ত হলো।


ঝ। এই ডাটাবেজের মাধ্যমে সকল জেলের আভ্যন্তরীন তথ্য আদান-প্রদান সহজতর হলো।


ঞ। অপরাধীর জেল ট্রান্সফার বা বিশেষ গমনাগমন কর্তৃপক্ষ চাইলে ডাটাবেজ হতে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীর নিকট আত্মীয়কে জানানো যায়।


ট। এই ডাটাবেজ হতে র‌্যাবের ক্রিমিনাল ডাটাবেজে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব।

ঠ। এই ডাটাবেজ হতে অপরাধীর তথ্য জাতীয় পরিচয় পত্র ডাটাবেজের সাথে ম্যাচিং করানো সম্ভব।

 

এ ডাটাবেজের ফলে নিম্নলিখিত সুবিধা অর্জন করা সম্ভব ঃ

ক। জেলখানায় যারাই প্রবেশ করুক না কেন তাদের তথ্য এই ডাটাবেজ এ অন্তর্ভূক্ত হবে।

খ। কেউ যদি আগে এক বা একাধিকবার কোন জেলের কয়েদী হিসেবে প্রবেশ করে তবে তার পূর্ব ইতিহাস প্রোফাইলসহ দেখা যাবে।

গ। একাধিক বার ধরা পড়া আসামীর মনিটরিং এর জন্য এলার্ট সিস্টেম চালু করা যায়।

ঘ। গুরুত্বপূর্ণ বন্দিদের জেলখানায় অবস্থান ও অন্যান্য চলাচল যেমন- কোর্ট ভিজিট/জেল ট্রান্সফার/ জামিন ইত্যাদি মনিটরিং করা যায়।

ঙ। আসামীকে যারা ভিজিট করছেন, সেই ভিজিটরের হিস্ট্রি জানা যায়।

চ। কোন ক্রাইম স্পট এ প্রাপ্ত ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচিং এর জন্য এই ডাটাবেজ ব্যবহার করা যাবে।

ছ। গ্রেফতার করা কোন আসামী এখনো জেলে আছে কিনা তা জানা যাবে।

জ। বিভিন্ন অপরাধ যেমন হত্যা, ছিনতাই ইত্যাদি অনুযায়ী আসামী সার্চ করা যাবে।


এই কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করার জন্য ব্যস্ত জেলগুলোতে অধিক সংখ্যক ওয়ার্কস্টেশন প্রদান করা, অপারেটর তৈরি, নতুন ফিচার যোগ করা এবং রিপোর্টিং সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ সফটওয়‍্যার আপডেট ও আপগ্রেড করার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও রয়েছে।